• ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu Adhikary

রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল, দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার পর থেকে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে তর্জা চলছেই। এদিন আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই রেরে করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, তিনি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।) ৭২ ঘন্টা ধরে মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন। আজ যেভাবে তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। লক্ষ লক্ষ মেধাযুক্ত যুবক-যবুতীদের সর্বনাশ হওয়ার ব্যাপারে এমন কথা বলেছেন। সবসময় নিজেদের লোককে চাকরি দিতে হয়।এসএসসি, টেটকে প্রাইভেট অর্গানাজেশনের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সরকরি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষা, মেধা প্রয়োজন। চাকরির নিয়ম সংক্রান্ত সার্ভিস রুলে আইন স্বীকৃত, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারেন না। দুর্নীতির প্রশ্নে যে পর্দা ফাঁস হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে ফাস্ট ট্রাক করতে হবে। এসব পরস্পরবিরোধী কথার মধ্যে মনে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী আতঙ্কিত। তিনি ভয় পেয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজনীতি

PAC-Suvendu: পিএসি নিয়ে 'রাজনীতিকরণ'-্এর বিরুদ্ধে রাজভবনে শুভেন্দু, প্রচার চলবে গোটা দেশেও

পিএসির চেয়ারম্যান পদে মুকুল রায়কে মনোনিত করাকে তৃণমূলের অষ্টম আশ্চর্য বলে আখ্যা দিয়ে রাজ্যপালের কাছে ফের একবার দরবার করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকী, এই ঘটনায় স্পিকারকেও সরাসরি আক্রমণ করলেন তিনি। এদিকে, মঙ্গলবার বিধানসভার ৮ কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে গণইস্তফা দেন বিজেপি বিধায়করা। এরপর শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা যান রাজভবনে। রাজ্যপালের হাতে তুলে দেন স্মারকলিপি। সেখান থেকে বেরিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, বিজেপির পরিষদীয় দলের মতামত না নিয়ে ৮টি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদে বিজেপি বিধায়কদের বসিয়েছিলেন স্পিকার। পিএসি চেয়ারম্যান নিয়ে রাজনীতিকরণের জন্য তা প্রত্যাখ্যান করেছি। এর পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংসদীয় ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগে গোটা দেশে বিজেপি প্রচার চালাতে চলেছে বলেও জানান শুভেন্দু। আরও পড়ুনঃ মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপের নায়ক, শোকস্তব্ধ গোটা দেশবিধানসভার নিয়ম কানুন এবং রীতি-নীতির রক্ষক রাজ্যপাল। মুকুল রায়কে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান বেছে নিয়ে তা জলাঞ্জলি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু। রাজ্যপালের সঙ্গে প্রায় আধঘণ্টার সাক্ষাৎ করেন। বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্পিকারের উদ্দেশে তোপ দেগে বলেন, যেই ব্যক্তি সর্বসমক্ষে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। টুইটারে নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। তাঁকে বিজেপি বিধায়ক হিসেবে উল্লেখ করে পিএসি-র চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করছেন অধ্যক্ষ। তৃণমূল যেটা করেছে এটা পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য।এই বিষয়ে যাতে গোটা দেশ জানতে পারে তা নিশ্চিত করতে যে স্মারকলিপি রাজ্যপালের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, তা রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং দেশের অন্যান্য রাজ্যেও পাঠানো হবে বলে জানান শুভেন্দু। বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল সশরীরে গিয়েই রাষ্ট্রপতিকে বিষয়টি জানাবে বলেও তিনি উল্রেখ করেন।

জুলাই ১৩, ২০২১
কলকাতা

শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার

এবার বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ল কলকাতা শহরজুড়ে। শ্যামবাজার, গিরিশপার্ক, উল্টোডাঙ্গা, কাঁকুড়গাছি, ফুলবাগানের মতো একাধিক এলাকায় রবিবার সকালে এই পোস্টারগুলি চোখে পড়েছে। কোনও পোস্টারে লেখা হয়েছে, কাজের মানুষ কাছের মানুষ, কোনওটিতে রাজীবের ছবির নিচে লেখা সততার প্রতীক এবং ছাত্র যুবর নয়েনের মণি। এতদিন শুভেন্দু অধিকারীর নামে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়ত। সেই পোস্টারগুলি দলের ব্যানারে ছিল না। ছিল দাদার অনুগামীর ব্যানারে। যা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ায় নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি হল রাজ্য রাজনীতিতে। তাহলে কী শুভেন্দু অধিকারীর মতো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও কি মন্ত্রীত্ব ছাড়বেন। আরও পড়ুন ঃ নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আহত ২ উল্লেখ্য, শনিবারই দক্ষিণ কলকাতার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বিশকিছু তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন রাজীব। তিনি বলেন, যারা যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করছেন তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হয় না। নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে তাঁদের সামনের সারিতে আসতে দেওয়া হয় না। স্তাবকদের উন্নতি হয়। যারা ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন তাঁরাই সামনের সারিতে চলে আসেন। এই ঘটনা দুঃখ দেয়। মানুষ এত বোকা নয়। মানুষকে বোকা ভাবলে ভুল হবে। তাঁর মন্তব্যের পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পোস্টার পড়ল কলকাতা শহর জুড়ে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুর দলবদল নিয়ে প্রত্যয়ী মুকুল

নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা চরমে উঠেছে। সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। শুক্রবার সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মন্ত্রিত্ব থেকে ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন শুভেন্দু। সময়েই বলবে কোন পথে পা বাড়ান। আগামী দু, একদিনের মধ্যেই ইতি পড়বে। তবে উনি বিজেপিতে যোগদান করবেন বলে আমি আশাবাদী। প্রসঙ্গত, রবিবার শুভেন্দু অধিকারীর সভা রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। সেই সভা থেকেই তিনি আগামী পরিকল্পনা ঘোষণা করতে পারেন বলে জোর জল্পনা। তার মাঝেই মুকুল রায়ের এই মন্তব্য স্বভাবতই শুভেন্দুকে নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুনঃ যাঁরা দলবিরোধী কাজ করছেন তাঁদের সরিয়ে দিন, শিশির অধিকারীকে নির্দেশ মমতার উল্লেখ্য, রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দেওয়ার পর সপ্তাহখানেক কেটে গিয়েছে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আর সেই আগুনে প্রতিদিন ঘি দিচ্ছে তৃণমূল - বিজেপি দুপক্ষ। অরাজনৈ্তিক সভা করলেও সেখানে শুভেন্দু এ বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করছেন না। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে্র পর তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছে , সে বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহল। শুভেন্দুর সঙ্গে আর কোনওরকম আলোচনা করা হবে না, তৃণমূলের সূত্র মারফত এমনটাও জানা গিয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপি তাঁকে পেতে কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছে। বঙ্গের একাধিক বিজেপি নেতার কথাবার্তায় তা একেবারে স্পষ্ট। এখন শুভেন্দু অধিকারী কবে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

যাঁরা দলবিরোধী কাজ করছেন তাঁদের সরিয়ে দিন, শিশির অধিকারীকে নির্দেশ মমতার

যারা দলবিরোধী কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কড়া নির্দেশ দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তিনি জেলা নেতৃ্ত্বদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। পূ্র্ব মেদিনীপুরের জেলা সভাপতি শিশির অধিকারীকে নির্দেশ দেন, নন্দীগ্রাম ও কাঁথি ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি বদল করে দিন। যারা দল বিরোধী কাজ করছে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে দল থেকে বের করে দিন। দল বিরোধী কাজ করছে এমন কাউকে ধরে রাখা যাবে না।যাঁরা সাহস করে আছে, সঙ্গে থাকুন। বিজেপি এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখাবে। সাহস করে থাকতে চাইলে থাকুন নইলে লুঠেরাদের দলে যান। আরও পড়ুন ঃ দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত বর্ধমান, পথ অবরোধ সূত্রের খবর, বৈঠকে শুভেন্দুর নাম নেননি মমতা। তবে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, শুভেন্দু অনুগামীদের দলবিরোধী কাজ বরদাস্ত করবেন না। শুভেন্দুর নাম না করে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ১ জন চলে গেলে ১ লক্ষ সম্পদ তৈরি হবে। যাঁরা এজেন্সির ভয়ে অন্যত্র যাচ্ছেন আমি তাঁদের পছন্দ করি না। সকল দলীয় নেতা-কর্মীকে অভয় দিয়ে তিনি বলেন, দলে নতুন পুরনো সবারই গুরুত্ব আছে। সবাই হাতে হাত মিলিয়ে ভোটের লড়াই করার জন্য প্রস্তুত হন। যারা গোপনে অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন , কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে ভয় পাচ্ছেন, তাদের বলছি দল থেকে চলে যান। তিনি পরিষ্কারভাবে এদিনের বৈঠকে বলে দিয়েছেন, যারা তৃণমূলের হয়ে কাজ করতে পারবেন না তাদের দলে থাকতে হবে না।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

আর কোনও কথা নয়, শুভেন্দুকে হোয়াটসঅ্যা্পে জবাব সৌগতর

শুভেন্দুর পাঠানো হোয়াটস অ্যাপের জবাব বৃহস্পতিবার দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। সূত্রের খবর, সৌগত রায় লিখেছেন, তাঁর পক্ষে একসাথে কাজ করা যদি মুশকিল হয়, তাহলে মঙ্গলবারের বৈঠকে কেন একসাথে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন শুভেন্দু। সৌগতবাবু আরও বলেন, শুভেন্দু কোথায় যাচ্ছে আমি বলতে পারব না। শুভেন্দুর ব্যাপারে আর আমি আলোচনা করতে চাই না। এ বিষয়ে আর আলোচনা হবে কিনা আমার জানা নেই। এখন যা বলার শুভেন্দু বলবে। আমাদের ওকে নিয়ে বলার কিছু নেই। সৌগত রায় আরও জানিয়েছেন, শুভেন্দুর কাছ থেকে পাওয়া বার্তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুকে নিয়ে সেমসাইড গোল হয়ে গেছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতের বৈঠকের পর সৌগত রায় দাবি করেছিলেন, সমস্ত সমস্যা মিটে গেছে। কিন্তু বুধবার দুপুরেই সৌগত রায়কে করা শুভেন্দুর হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে বলা হয়, আমার বক্তব্যের এখনও কোনও সমাধান হয়নি। সমাধান না করেই আমার উপর সব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৬ ডিসেম্বর সাংবাদিক সম্মেলন করে আমার সবকিছু জানানোর কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই আপনারা প্রেস্কে সব জানিয়ে দিলেন। ফলে একসাথে কাজ করা মুশকিল। আমাকে মাফ করবেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে সেমসাইড গোল হয়ে গেছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

সাইডলাইনের বাইরে ছিলেন। এখন সেমসাইড গোল হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের। শুভেন্দুকে নিয়ে মাস্টারমশাই এমন ঝটকা খেয়েছেন যে চুপ মেরে গিয়েছেন। প্রাইভেট কোম্পানির চেয়েও খারাপ অবস্থা টিএমসির। শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে সৌগত রায়ের নাম না করে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার তিনি ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন। এদিন শুভেন্দু প্রসঙ্গে দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে কিছু বলার নেই। বৈঠকেরও এখনও পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, এখানে দাঁড়িয়ে আল্টিমেটাম দিচ্ছি, মানুষকে অত্যাচার করবেন না, শুধরে যান। মে মাসের পর সব হিসেব হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিচ্ছে হাসপাতাল সেই কার্ড নেয় না। হাসপাতাল হয়েছে, কিন্তু সেখানে আগে টাকা পরে ডাক্তার। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, এখানে কোথাও চাকরি নেই সব যাচ্ছে বাংলার বাইরে। দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি নিয়ে তার বক্তব্য, দুয়ারে সরকার করছে। বিডিও নাকি বাড়িতে আসবে? কেউ বিশ্বাস করে এই কথা? কত রকম সাথী কত রকম শ্রী! টাকা আসছে কোথা থেকে? কেন্দ্র নাকি টাকা দেয় না! এরা বাড়ি এলে ছাড়বেন না নারকেল গাছে বেঁধে জবাব চাইবেন! তার কটাক্ষ, জঙ্গলমহলে তিনদিন বসেছিল দিদিমণি। কেউ খেতে ডাকেনি কেউ দেখা করতেও আসেনি। এবার বসার জন্য অন্তত একটা খাটিয়া পেয়েছে এরপরে চাটাই ও পাবেন না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল অভিষেককে কটাক্ষ করে তার মন্তব্য, ভাইপোকে কি ভাগ্নে বলব? আদর করে বলতাম এত রাগ করার কী আছে? তিনি তৃণমূল নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, প্রত্যেক নেতা রাত হলেই পার্টি, বোতল। সবকটা নেতার চেহারা দেখুন, টাকা কোথা থেকে এলো? হয় সিন্ডিকেটের টাকা না হলে পঞ্চায়েতের ঝাড়া টাকা। সবকটাকে কোমরে দড়ি পরিয়ে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাব। সব নেতাদের নীল-সাদা বাড়ি গাড়ি। এই বাড়ি গাড়ি মে মাসের পরে ভোগ করতে দেব না। সব অকশন করব। কে কিনবেন ভেবে রাখুন। বুধবার থেকেই ইকো পার্কে তৃণমূল কর্মীরা সব বেচে দে টি-শার্ট পরে শরীরচর্চা করতে শুরু করেন। ঠিক দিলীপ ঘোষ যেখানে রোজ হাঁটতে যান, তার উল্টো দিকে দাঁড়িয়েই তৃণমূল এই কর্মসুচি পালন করছে। আজ দিলীপবাবু বলেন, এটা রাজনীতি করার জায়গা নয়, শরীরচর্চা করার জায়গা। ওরা সব সিন্ডিকেট করে। মোদীজির ফিট ইন্ডিয়া আহ্বানে অনুপ্রাণিত হয়ে ওরা শরীরচর্চা করছেন। যদিও ইকো পার্কে রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে ঘোরা উচিত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিউটাউনের যে অঞ্চলে দিলীপ ঘোষ আজ চা-চক্র করেন, সেই এলাকায় সিন্ডিকেটের রমরমা বলে বারবার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাই দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে বারবার সিন্ডিকেট ইস্যু ঘুরে ফিরে এসেছে। অন্যদিকে মিহির, নিশীথকে নিয়ে দিলীপ জানান, ওরা গতকাল রাতে এসেছিলেন। দিল্লি থেকে ফিরে উনারা আমার সঙ্গে কথা বলেন। দলীয় কাজকর্ম শুরু করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, আপার প্রাইমারি আন্দোলনকারীদের নিয়ে তুলে দেওয়া নিয়ে তার বক্তব্য গোটা রাজ্যে ১৪৪ করা হচ্ছে। কাউকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। মাদ্রাসার টিচারদেরও আন্দোলনের আগে তুলে নেওয়া হয়। মদন মিত্রের প্যাক আপ পোস্ট নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, সন্তুষ্ট করতে এসব কাজ করছেন। পার্টি ও সরকারে নতুন পদ তৈরি করা হচ্ছে। আগে এই কারণে পুরষ্কার চালু করেছিলেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল

শুভেন্দু এখনও তৃণমূলের বিধায়ক। তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে বিজেপিতে এলে স্বাগত। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। তিনি বলেন, শুভেন্দু গণআন্দোলনের নেতা। ও যদি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিজেপিতে স্বাগত। শুভেন্দু যে দলে আছে সেই দলের লোকেদের সঙ্গে কথা বলেছে, দল নজর রেখেছে। সৌগত রায়ের গতকালের মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, বয়স হয়ে গেলে অনেক কিছু ভুলে যান। তৃণমূল বলে এখন কিছু নেই। যে যার নিজের মতো চলে। কর্মী স্বেচ্ছাসেবক ও দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে পার্থক্য আছে। আরও পড়ুন ঃ একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়, সৌগতকে জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু শুভেন্দু এলে বিজেপির পক্ষে লাভজনক হবে। আমি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বলছি। শুভেন্দু এলে ভোট ব্যাঙ্ক সঙ্গে আসবে। এতেই লাভ হবে বিজেপির। মুকুলের আরও সংযোজন, পিকে কে? পিকের অবস্থান কি? শুভেন্দু এখন আমার ছোট ভাই। যখন সহ সভাপতি হয়েছিলাম ও শুভেচ্ছা জানিয়েছিল। ওদের পরিবারের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ রাজুর

মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন তাই জেলা সফর শুরু করছেন। কিন্তু এতে লাভ কিছুই হবে না। সোমবার সকালে দুর্গাপুরের রাতুরিয়ায় চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আর তাঁকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ দেব। বয়স হয়েছে। কোরোনা আবহে তিনি বরং না বেরিয়ে বিশ্রাম নিন। শান্তিতে থাকুন। দরকারে কাশীতে ব্যবস্থা করে দেব। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, যার দুধের দাঁত ভাঙেনি তাঁকে নিয়ে কি বলব! জিরো ব্যালেন্সের নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী হিরো বানাচ্ছেন বলেই দলের নেতারা জবাব দিচ্ছেন। একে একে সবাই সরে যাচ্ছেন। কদিন পর পিসি-ভাইপো কোম্পানিতে ২ জন ছাড়া আর কেউ-ই থাকবে না। আরও পড়ুন ঃ মতুয়াদের নাগরিকত্বের জন্য কোনও সরকার কিছু করেনিঃ শান্তনু ঠাকুর প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যোগে লাভবান হবে বিজেপি? এ প্রশ্নের উত্তরে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অবশ্যই। রাজনীতিতে, নন্দীগ্রামে ওনার একটা বড় অবদান আছে। উনি এলে আমাদের লড়াই আরও জোরদার হবে। আরও বেশি মানুষ এই লড়াইয়ের শরিক হবেন। বিজেপি নেতার কথায়, আমরা ওনাকে স্বাগত জানিয়েছি। উনি আসবেন কি না, সেটা ওনার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। উনি ঠিক করবেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

লিফটে উঠলে ৩৫ টা পদের অধিকারী হতামঃ অভিষেক

কর্মী হোক বা নেতা, তৃণমূল কংগ্রেসে কেউ প্যারাশুটে নামেনি। লিফটে ওঠেনি। রবিবার সাতগাছিয়ার জনসভা থেকে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন ডায়মন্ড হারবারের তৃ্ণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, আপনারা যাঁরা এসেছেন কজন প্যারাশুটে নেমেছেন। কজন লিফটে উঠেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নাম তৃণমূল কংগ্রেস। এটা মাথায় রাখতে হবে। দল সকলের কাছে মায়ের মতো। তৃণমূল কংগ্রেস সকলের মা। মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে ছেড়ে কথা বলবেন? নিজে উচ্চাকাঙক্ষী হয়ে অন্য দলের হয়ে তাবেদারি তল্পিবাহক হলে ছেড়ে কথা বলবেন? মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা সহ্য করা যায় না। একটা বাংলা ছবির সংলাপ আছে, বউ হারালে বউ পাওয়া যায়, মা হারালে পাওয়া যায় না। বিশ্বাসঘাতকতা করলে কড়ায়-গণ্ডায় জবাব দেওয়া হবে। যতই নাড়ো কলকাটি নবান্নে আবার হাওয়াই চটি। পদ নয় পতাকা, নেত্রীর নাম মমতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাতারাতি তৈরি হয়নি। একে ওকে দিয়ে মন্তব্য করিয়ে লাভ হবে না। ৩৪ বছরের তমশাচ্ছন্ন পশ্চিমবঙ্গের সূর্য মমতা। লড়াই করতে আসলে ঝলসে যাবেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ডাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি সৌমিত্র খাঁয়ের তৃণমূল কংগ্রেসে রাতারাতি কেউ নেতা হয়নি। কর্মী হোক বা নেতা- কেউ প্যারাশুটে নামেননি। লিফটেও ওঠেননি। লিফটে উঠলে একটা বিধানসভার সদস্য হয়ে থাকতেন না। কেউ কেউ অনেক কিছু বলে। গণতান্ত্রিক দেশে বলতেই পারেন। আমি প্যারাশুটে নামলে ৩৫টা পদের অধিকারী হতাম। প্যারাশুটে নামলে দক্ষিণ কলকাতায় লড়তাম, যেখানে আমি থাকি। ২০১৪ সালে প্রার্থী হয়েছি ডায়মন্ড হারবারের। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ছিলেন প্রয়াত সৌমেন মিত্র। তাঁর জমানায় কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিষেক এই প্রসঙ্গে বলেন, প্রার্থী হওয়ার পর মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়েছি। কেউ বলছে জল নেই, বিদ্যুৎ নেই। তবুও ময়দান ছেড়ে যাইনি। আপনাদের ভালবাসায় ৭১ হাজার ভোটে জিতেছিলাম। সবচেয়ে কম ভোটের মার্জিন ছিল এই জেলায়। জেতার পর বুথে বুথে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছি। সেই ডায়মন্ডবারবার গতবার ৭ লক্ষ ৯১ হাজার ভোট পেয়েছি। ৩ লক্ষ ২২ হাজার ভোটে জিতেছি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির উদ্দেশে বলেন, বিজেপির ছোট- বড় নেতারা একটাই কথা বলে ভাইপো। বুকে পাটা থাকলে আমার নাম নিয়ে দেখান। ভাববাচ্যে কথা বলে লাভ নেই। নাম নিয়ে বলার সাহস নেই। কারণ, মুকুল রায় বলেছিল, আমি নাকি বিশ্ববাংলা কোম্পানির মালিক। তারপর তাকে আদালতে ল্যাজেগোবরে হতে হয়েছিল। যে যখন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে, তাঁকেই হাই কোর্ট পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছি। সবসময় আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি। তাই তারা আমার নাম নেওয়ার সাহস পায় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নেওয়ার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও নেই। এরপরেই তিনি বলেন, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা। দিলীপ ঘোষ গুন্ডা মাফিয়া। সুনীল দেওধর বহিরাগত। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত। আমার দিদি কী করেছে আর তোমার মোদি কী করেছে, হোক প্রতিযোগিতা। তিনি আরও বলেন, আমফানে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকার আমফানের জন্য ইতিমধ্যেই সাত হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে। দলে থেকে অনেকেই খারাপ কাজ করছেন বলেও দাবি করেন যুব তৃণমূলে সভাপতি। ডায়মন্ড হারবারে আর দলবিরোধী কাজ সমর্থন করা হবে না বলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ার করেছেন অভিষেক।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক , ফের বিস্ফোরক কল্যাণ

শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শালীনতার সীমা ছাড়ালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক, এভাবেই শুভেন্দুর মন্ত্রিসভা ছাড়া ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ। ্তিনি আরো বলেন, উনি নিজের ইচ্ছায় মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। বাংলায় যে যেখানেই জিতেছেন তিনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেখিয়ে জিতেছেন। এরাজ্যের ২৯৪টি আসনের মধ্যে তাঁর আসনটিও পড়ে। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট প্রসঙ্গত, শুক্রবারই রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও একের পর এক সরকারি পদ থেকেও ইস্তফা দিয়ে চলেছেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা। অন্যদিকে, ওই দিনই দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামীও। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদল ছেড়ে অনেক নেতা-কর্মীই বিজেপিতে যুক্ত হচ্ছেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। বিজেপি নেতাদের দাবি, আগামী দিনে তৃণমূল ছেড়ে একাধিক বিধায়ক, নেতা বিজেপিতে আসবেন।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিনটি দফতর নিজের হাতেই রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিন দফতরের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, সেচ, পরিবহণ, জলসম্পদ দফতরের দায়িত্ব ছিল শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফিরহাদ হাকিম বা অরূপ বিশ্বাস, এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেচদপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে, এই গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সম্ভাবনা পালটে যায়। ফিরহাদের কাঁধে আপাতত পুর, নগরোয়ন্নয়ন দপ্তরের ভার। অরূপ বিশ্বাসের হাতে দুটি দপ্তরের ভার ক্রীড়া, যুবকল্যাণ। এই সবকটি দপ্তরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া তাঁদের সংগঠনেরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছে। আরও পড়ুন ঃ আমি দলেই আছিঃ রাজীব শুক্রবার বিকেলে শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পরই জরুরি বৈঠকে দলের শীর্ষনেতাদের নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সভাপতি সুব্রত বক্সি, দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানে প্রায় ঘণ্টা দুই ধরে বৈঠকের পর ঠিক হয় দপ্তর বণ্টনের বিষয়টি।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। এরমধ্যেই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, সৌগত রায়-সহ অন্তত ৫ জন তৃণমূল সাংসদ যে কোনও সময়ে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুত। এটা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। শনিবার সকালে ছটপুজো উপলক্ষে নৌকায় করে গঙ্গা ভ্রমণের সময়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপিতে স্বাগত। উনি যেদিন বিজেপিতে যোগ দেবেন সেদিই সরকার ভেঙে যাবে। রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ বলেছেন, শুভেন্দু একজন জননেতা। সচেতন মানুষ। ওনাকে তৃণমূলে ক্রমাগত অপমান করা হচ্ছে। ওনার তৃণমূল ছেড়ে চলে আসা উচিত। বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানাতে সবসময় প্রস্তুত। যদিও অর্জুনের দাবি খণ্ডন করে সৌগত রায় জানিয়েছেন, রাজনীতি ছেড়ে দেব, মরে যাব, তবু বিজেপিতে যাব না। রাজ্যে এসে এসব শিখিয়ে দিয়ে গেছেন অমিত মালব্যরা।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে মান-অভিমান চলছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের মোদির উপর ভরসা আছে। মোদি তো বাংলার লোক নন। আমরা সর্বভারতীয় পার্টি আমাদের সিস্টেম অনুযায়ী পার্টি চলে। বৃহস্পতিবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যাদের নেতারা আজকে ভয় পাবলিকের সামনে যাচ্ছে না, তারাই একথা বলবে। তাদের কোন মুখ নেই। সব মুখে কালি লেগে গিয়েছে। তারা এ কথা বলবে বাংলার বিজেপি কর্মীরা লড়াই করছে বলে একশ কুড়িজন বিজেপি কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। আজও আমি বর্ধমান যাচ্ছি একটা কেসের জামিন নিতে। আমরা লড়াই করছি তাতে তৃণমূলের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চয়ই দেখতে আসবেন। আমাদের সারাদেশে পার্টি চলে। বাংলার বিজেপি সঙ্গে সারাদেশের বিজেপি আছে, বাংলায় পরিবর্তন হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায় এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারীর মানভঞ্জনের প্রসঙ্গে টেনে দিলীপ ঘোষ বলেন, কে কাকে বোঝাবে এটা ওদের ঘরের ব্যাপার। মান অভিমান চলছে। আজকে কেন বোঝাতে হচ্ছে? পার্টির যারা বফাদার সৈনিক প্রাণ হাতে করে লড়াই করেছে তাদের মন বদলে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের ভাবনা চিন্তা বদলে যাচ্ছে। ধোঁকা দিয়ে বেশি দিন চলে না। এই রাজনীতি সারা ভারতে বন্ধ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে দেব। এদিন ছটপুজো প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এই সব জায়গাতেই ছটপুজো একটাই বড় উৎসব হিন্দি ভাষীদের। বহু মানুষ নিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজো পালন করেন। এতদিন সরকারের ছট নিয়ে কোন চিন্তা ছিল না। কোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছে সরোবরে ছট পুজো বন্ধ করা নিয়ে, তাই সরকার এই সব দেখাচ্ছে। আসলে হিন্দিভাষী ভোটের জন্য এই সব করছে। ছট পুজো যাঁরা করেন তাঁরা বহু বছর ধরে পূজো করে আসছেন। এতদিন সামাজিকভাবে লোকেরাই ব্যবস্থা করত। আজ সরকারের কেন মাথা ব্যথা হয়েছে? হিন্দি ভাষীদের ভোটের দরকার আছে। এতদিন হিন্দি ভাষীদের কথা মনে পড়েনি। এতদিন তাদেরকে বাইরের লোক বলে চালিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠেলার নাম বাবাজি ভোট বড় বালাই তার জন্যই এত কিছু করছেন। প্রসঙ্গত গতবছর ছট পূজাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রসরোবরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেও সরব হন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সরকার সফল নয় সব জায়গায়। সরকারের ধারণা থাকা উচিত কত মানুষ সেখানে আসেন। তাতে ধর্মীয় ভাবাবেগে যাতে আঘাত না আসে সেটা দেখা উচিত। এত বছর ধরে এই পরম্পরা আমরা করে আসছি। হঠাৎ করে বললে মানুষ এগুলো মেনে নেবে না বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। ছট পূজাতো হবেই। সেটা ভালো করে ব্যবস্থা করা করার দায়িত্ব সরকারের। অন্যান্য জলাশয়কে পরিস্কার করে সেখানে ব্যবস্থা করা উচিত। আমরা চাই যাঁরা এই পুজো করেন তাঁরা যেন নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করতে পারেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে আমাদের কোনও কথাবার্তা হয়নিঃ দিলীপ

ওদের পার্টির মধ্যে ভাঙা-গড়া চলছে। পরস্পরের মান ভঞ্জন চলছে। এটা ওদের সমস্যা। শুক্রবার মানিকতলায় শিবাজি সিংহ রায়ের উদ্যোগে হওয়া কালীপুজোর উদ্বোধন করে একথা বলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন , তবে এতে ওদের দলের কর্মীরা হতাশ। যে পার্টি ক্ষমতায় আছে তা আজ ভেঙে যাচ্ছে। শুভেন্দু বড় নেতা,মন্ত্রী তিনি কী করবেন সেটা ওনার ব্যাপার। সবাই বলছে, উনি বিজেপিতে আসছেন। কিন্তু আমার জানা নেই। পিকে এখন ড্যামেজ কন্ট্রোলার হয়েছে। পার্টি এখন আড়াআড়ি ভাবে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে এরপর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিজেপি সাংসদ বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনও কথাবার্তা হয়নি। সেটা নিয়ে আপনারা চিন্তা করবেন না। অনেক মানুষ আসছেন, আসবেন। কেউ এলে আমরা নেব, আমাদের পার্টির যে কার্য পদ্ধতি আছে, আদর্শ আছে তা নিয়েই বাংলা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। কেউ যদি এই লড়াইয়ে শামিল হতে চায়। আমরা স্বাগত জানাব। বৃহস্পতিবার হামলা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন , পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। গতকাল আমার উপর আক্রমন করে ওরা বুঝিয়ে দিল প্রধানমন্ত্রী যা বলছেন তা ঠিক।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছেঃ ফিরহাদ

আমরা কেউই হেলিকপ্টারে নামিনি। সিঁড়ি দিয়ে উঠেছি। আর সেই সিঁড়িটা তৈ্রি করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ছিল শুভেন্দু অধিকারীর সভা। তাঁর সভার পর পালটা সভা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি কারও নাম না করে বলেন, থাকে , মীরজাফররাও থাকে। ফিরহাদ বলেন , সকালে ডাকেননি কেন ? ডাকলে আসতাম। মালা দিতাম শহিদ তর্পণে। ডাকা হবে না , আসতে দেওয়া হবে না। আবার আমি আমি করে আমিত্ব দেখিয়ে কথা বলা হবে। এ কেমন কথা । আমি না বলতে হবে আমরা। তিনি আরও বলেন , মমতাদি কাজের সুযোগ না দিলে আমরা কেউ কিছু নই। আরও পড়ুন ঃ নন্দীগ্রামের আন্দোলনকে স্মরণ করে টুইট মমতা , অভিষেকের তিনি বলেন, যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছে। সিপিএম খুব খারাপ ছিল। বিজেপি আরও খারাপ পার্টি। এমন কিছু করবেন না যাতে তাদের সুবিধা হয়। বাংলায় বিজেপির জায়গা নেই। ওরা মমতাকে সরাতে চায় ভাঙন ধরিয়ে। জন নেত্রী বাংলাকে ঠিক পথে রেখেছেন। বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরোধিতা করেন। বিজেপি এলে ধর্মের নামে সন্ত্রাস ফিরবে। এসব হতে দেবেন না।

নভেম্বর ১০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাইক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইক চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট । সোমবার থেকে বাইক মিছিল এবং একসঙ্গে একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।এর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাইক চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না । এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বাইরে বেরোনোর উপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুল থেকে আনা, সেই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বাইকের পিছনে যাত্রী বসানো নিয়েও কড়াকড়ি করা হয়েছিল।তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা হলে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নিয়মে পরিবর্তন আনে। তিনি ৭২ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন।এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। নতুন নির্দেশে আদালত জানায়, দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কেউ যদি একা বা স্বাভাবিকভাবে বাইক নিয়ে বেরোন, তাতে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।এই নির্দেশের ফলে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কড়া নজরদারি চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা হামলা করল তৃণমূল সাংসদের ওপর! কী বলছে নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্ট

আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর গাড়িতে হামলার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পিছনে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। হুগলি জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে গোঘাট এলাকায়। অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপি কর্মীরা সাংসদের গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে ভাঙচুর চালায়। গাড়ির কাচ ভেঙে যাওয়ায় তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয় এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, একটি প্রচার কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় সাংসদের গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এটি দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলও হতে পারে।পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। ভোর থেকেই আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে প্রশাসনের দাবি।এদিকে এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।তবে প্রশাসনের এই প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, কীভাবে এই ঘটনাকে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব বলা হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়।অন্যদিকে সাংসদ মিতালি বাগ অভিযোগ করেছেন, গোঘাট হাসপাতালের সামনে বিজেপি কর্মীরা আচমকা বিক্ষোভ শুরু করে এবং তারপরই তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাতে তিনি আহত হন। এই ঘটনায় তিনি সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আরামবাগে তৃণমূল সাংসদের ওপর হামলায় তীব্র বার্তা! কী বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে সভা করতে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভায় যাওয়ার পথেই তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। গোঘাট থেকে আরামবাগে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে সভামঞ্চ থেকেই বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি দাবি করেন, কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত তা তিনি জানেন এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে একে একে সবাইকে চিহ্নিত করা হবে। তিনি বলেন, ৪ তারিখের পর সব হিসেব নেওয়া হবে।সভায় তিনি আরও বলেন, যারা ভাবছে এই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানা নেই, তারা ভুল করছে। কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি তিনি জানান, আরও যাদের ভূমিকা রয়েছে, তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।এর আগে খবর পেয়ে সভাস্থলে যাওয়ার আগে হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংসদের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, সাংসদের শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং তিনি ঠিকভাবে কথা বলতে পারছেন না।মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, একজন তফসিলি মহিলা সাংসদের উপর হামলা করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভোটে জয় বা পরাজয় যাই হোক, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় সিপিএম ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সিপিএমের কর্মীরাই এখন বিজেপির সঙ্গে মিলিত হয়ে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার হতে পারেন, কিন্তু তিনি কঠোর অবস্থান নেবেন।উল্লেখ্য, এর আগেই গোঘাটের বর্মা এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির মিছিলে হামলা চালায়, যাতে বহু মানুষ আহত হন। তাঁদের আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ সামনে আসে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি মোদির! ৪ মে-র পর বাংলায় সরকার গঠনের ইঙ্গিত

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচারের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সভা থেকে তিনি দাবি করেন, গত কয়েকদিন রাজ্য ঘুরে তিনি বুঝতে পেরেছেন, আগামী ৪ মে-র পর রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হবে। সেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে আবার বাংলায় আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাজ্যের মানুষকে নিজের মানুষ বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, বাংলায় এলে তিনি মানসিক শান্তি অনুভব করেন। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে এখন জঙ্গলরাজ চলছে। একের পর এক জুট মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থানের অভাব তৈরি হয়েছে। এর ফলে যুব সমাজ কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে এবং বয়স্করা একা হয়ে পড়ছেন।প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, রোজগার মেলার মাধ্যমে যুবকদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে এবং শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা হবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশনের সম্পূর্ণ সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।তিনি আরও জানান, রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজের গ্যারান্টি চালু করা হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে কন্টেন্ট তৈরির কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিজেপি সরকার এলে কলকাতা মেট্রোর দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে।মহিলা নিরাপত্তা নিয়েও গুরুত্ব দেন মোদি। তিনি বলেন, এমন সরকার দরকার যেখানে বাড়ির মেয়েরা নিশ্চিন্তে রাস্তায় বেরোতে পারেন। পাশাপাশি তিনি ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা পেতে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।কলকাতার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে মোদি বলেন, কলকাতাকে অন্য শহরের মতো বানাতে গিয়ে তার নিজস্ব ঐতিহ্য নষ্ট করা হয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি দাবি করেন।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটে মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের আগে এই সভার মাধ্যমে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

শেষ মুহূর্তের প্রচারে রণক্ষেত্র! আহত তৃণমূল সাংসদকে ভর্তি করা হল হাসপাতালে

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার ঠিক আগেই সাংসদ মিতালি বাগের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে প্রচারের সময় এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, গোঘাট হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মিতালি বাগের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা গাড়িতে পাথর ছোড়ে এবং ভাঙচুর চালায় বলে দাবি। এর পরেই দ্রুত তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিতালি বাগ। তিনি বলেন, তাঁর গাড়িতে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই এই ধরনের নাটক করা হচ্ছে এবং মানুষ এসব বিশ্বাস করবে না।এদিকে গোঘাটে বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগারের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে। উভয় পক্ষের কর্মীদের হাতে লাঠি, বাঁশ ও ভাঙা কাচ দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বড় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে বড় অভিযান! ৩৬ ঘণ্টায় গ্রেফতার দেড় হাজারের বেশি

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় পদক্ষেপ নিল পুলিশ প্রশাসন। বিশেষ অভিযানে রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে মোট ১০৯৫ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৬ ঘণ্টায় মোট ১৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়, যেখানে ৪৭৯ জনকে ধরা হয়েছে। এই তালিকায় এক তৃণমূল কাউন্সিলরের নামও রয়েছে, যার বিরুদ্ধে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, সেখানে ৩১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই জেলাতেই সম্প্রতি উত্তেজনার ঘটনা সামনে আসে এবং বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলার অভিযোগে এক তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, যেখানে ২৪৬ জনকে ধরা হয়েছে। এছাড়া কলকাতা উত্তর থেকে ১০৯ জন, হুগলি থেকে ৪৯ জন, নদিয়া ও হাওড়া থেকে ৩২ জন করে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশের এই ব্যাপক ধরপাকড়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটের সময়ে কোনও অশান্তি যাতে না হয় এবং দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগামী দিনেও এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ চলবে এবং যারা আইন ভাঙবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, ভোটের আগে সম্ভাব্য অশান্তি সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে একটি তালিকা তৈরি করেছিল নির্বাচন কমিশন। এই তালিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট-এ ওঠে। পরে আদালত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

‘বাংলায় গুন্ডারাজ’—কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী

আসানসোলে কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। এই ঘটনায় শাসকদলকে আক্রমণ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন, বাংলায় গুন্ডারাজ চলছে এবং ভয় দেখানো, মারধর ও খুন এখন শাসক দলের চরিত্রে পরিণত হয়েছে। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতের পরিবারের নিরাপত্তা ও আর্থিক সাহায্যের কথাও বলেছেন।মৃত কংগ্রেস কর্মী দেবদীপ চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের অভিযোগ, ভোট পরবর্তী হিংসার জেরেই এই মৃত্যু। তাঁদের দাবি, রাতে বাড়ি ফেরার সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে মারধর করে, যার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।তবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে এটি ব্যক্তিগত বিবাদের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টেও পুলিশ জানিয়েছে, এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের সরাসরি যোগের প্রমাণ মেলেনি।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে একটি জায়গায় গাড়ি দাঁড় করানো নিয়ে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে দেবদীপের বচসা হয়। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে মারধর করা হয়। পরে অন্য একটি জায়গাতেও তাঁর সঙ্গে ঝামেলা বাধে এবং অভিযুক্তরা তাঁকে অনুসরণ করে। শেষ পর্যন্ত তাঁর বাড়ির সামনে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সেখানেই তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়ে যান।পরিবারের সদস্যরা প্রথমে মনে করেছিলেন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং নজরদারি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া নজরদারি! পাড়ায় পাড়ায় বাইকে টহল দেবে বাহিনী

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার জন্য প্রস্তুতি আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। এবার একশো বিয়াল্লিশটি কেন্দ্রকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পুলিশ ও বাহিনীকে বিস্তারিত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়।কমিশন জানিয়েছে, ভোটে কোনও অশান্তি যাতে না হয়, তার জন্য পাড়ায় পাড়ায় নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। এবার অলিগলিতেও পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট একশো ষাটটি মোটরবাইকে জওয়ানরা টহল দেবেন। প্রতিটি বাইকে থাকবেন দুজন করে জওয়ান। কোথাও কোনও গোলমাল দেখা দিলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।দ্বিতীয় দফার ভোটে মূল লক্ষ্য হল শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ। সেই কারণে ভোটের আগে থেকে গণনা পর্যন্ত কীভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কোথায় কত বাহিনী থাকবে, কোথায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল মোতায়েন করা হবে, সবকিছুর খুঁটিনাটি পরিকল্পনা করা হয়েছে।বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়তি নজর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ভোটকেন্দ্রেই নয়, ভোটারদের যাতায়াতের পথেও নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রয়োজন হলে সেখানে নজরদারি যন্ত্র বসানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং সাধারণ ও পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এছাড়াও বিশেষ পর্যবেক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।এদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বিভিন্ন জেলায় ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রবিবার তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপে গিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal